করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্ভাব্য যে কাজ গুলো করতে হবে

নিজস্ব নিজস্ব

প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২০

করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্ভাব্য যে কাজ গুলো করতে হবে-

১। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি। এতে বিজ্ঞানের শিক্ষক, অভিভাবকদের মধ্যে যারা ডাক্তারি বা ঔষধের দোকান আছে তাদের কমিটিতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মিটিং করে কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
২। অ্যাসেম্বলির সময় করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রধান শিক্ষক ব্রিফিং দিবেন। বা অভিভাবকদের মধ্যে ডাক্তার বা এই লাইনের হলে তাকে দিয়ে বলানো যেতে পারে। গুজবে কান না দিতে সতর্ক করা।
৩। শারীরিক শিক্ষা ক্লাসে এ নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
৪। শ্রেণীকক্ষ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক বিষয়ক লেখা লিখা যেতে পারে।
৫। বিদ্যালয়ের আসা যাওয়ার পথে , উন্মুক্ত স্থানে ব্যানারে করোনা ভাইরাস বিষয়ক লেখা লিখে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা যেতে পারে।
৬। ম্যানেজিং কমিটি বা স্থানীয় ভাবে মাস্ক যোগাড় করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করে তা কিভাবে পরতে হবে কখন কোথায় পরতে হবে তা শিখিয়ে দিতে হবে।
৭। নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করা। পানির গ্লাস পরিস্কার কিনা নিশ্চিত হওয়া।
৮। পায়খানা পরিস্কার করা। সাবান পানিসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি নিশ্চিত করা। হাত পরিস্কার নিশ্চিত করা।
৯। ক্ষুদে ডাক্তারদের দায়িত্ব দিয়ে মনিটরিং করা যেতে পারে।
১০। স্থানীয় ডাক্তারদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো।
১১। শ্রেণি শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়া ঠাণ্ডা বা এজাতীয় রোগী শিক্ষার্থী থাকলে প্রধান শিক্ষকের কানে দিয়ে ব্যবস্থা নেয়া।
১২। অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত সমন্বয় মিটিং করা যেতে পারে।

*প্রথমে করোনাভাইরাস কি জানতে হবে?

করোনাভাইরাস হলো নিদুভাইরাস শ্রেণীর করোনাভাইরদা পরিবারভুক্ত করোনাভাইরিনা উপগোত্রের একটি সংক্রমণ ভাইরাস প্রজাতি।এ ভাইরাসের জিনোম নিজস্ব আরএনএ দিয়ে গঠিত। এর জিনোমের আকার সাধারণত ২৬ থেকে ৩২ কিলো বেস পেয়ার (kilo base-pair) এর মধ্যে হয়ে থাকে যা এ ধরনের আরএনএ ভাইরাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ। করোনাভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন করোনা থেকে নেওয়া হয়েছে যার অর্থ মুকুট। কারণ ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ভাইরাসটি দেখতে অনেকটা মুকুটের মত। ভাইরাসের উপরিভাগে প্রোটিন সমৃদ্ধ থাকে যা ভাইরাল স্পাইক পেপলোমার দ্বারা এর অঙ্গসংস্থান গঠন করে। এ প্রোটিন সংক্রামিত হওয়া টিস্যু বিনষ্ট করে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাথমিক লক্ষণ-
জ্বর
অবসাদ
শুষ্ক কাশি
শ্বাস কষ্ট
গলা ব্যাথা
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে উপরোক্ত সকল উপসর্গ দেখা গেলেও জ্বর থাকেনা।